শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে দগ্ধদের সেবায় এগিয়ে এসেছেন একদল স্বেচ্ছাসেবী ওলামায়ে কেরাম

বিজয়বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ৬, ২০২০
শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে দগ্ধদের সেবায় এগিয়ে এসেছেন একদল স্বেচ্ছাসেবী ওলামায়ে কেরাম

বিজয় বাংলা প্রতিবেদকঃ
নারায়নগঞ্জের বাইতুস সালাত মসজিদে এসি বিষ্ফোরণের ঘটনায় ইতিমধ্যে মারা গিয়েছেন ২০ জন মুসল্লী। শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে ভর্তি আছেন আরো ১৭ জন। স্তম্ভিত ও শোকাহত পুরো জাতি। এ সময় আর্তমানবতার সেবায় সর্বস্ব নিয়ে এগিয়ে এসেছেন ওলামায়ে কেরাম।

সরেজমিনে শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে গিয়ে দেখা গেল- সেখানে কাতরাচ্ছে মানবতা। কারো শরীরের বেশিরভাগ ঝলসে গিয়েছে। কারো বা দগ্ধ হয়েছে হাত পা মুখ। তাদের আর্তচিৎকার আর স্বজনদের আহাজারীতে চোখের পানি ধরে রাখা কঠিন।

বাইরে ঠিক এর বিপরীত চিত্র। পাঞ্জাবি টুপি পড়ুয়া কিছু স্বেচ্চাসেবী অস্থির হয়ে ছুটাছুটি করছেন। রোগীকে ভর্তি করা,পরামর্শ দেয়া, ঔষধ এনে দেয়া,রক্ত দেয়া আরো কত কি। নিঃস্বার্থভাবে এগিয়ে এসেছেন অনেকেই।
কেউ রক্তের ব্যবস্থা করতে দৌড়াদৌড়ি করছেন,কেউ ফ্রি এম্বুলেন্স সার্ভিস দিচ্ছেন,কেউবা নাস্তা ও খাবার দাবারের ব্যবস্থা করছেন। সাধ্যানুসারে এগিয়ে আসছেন যার যার জায়গা থেকে। ঘটনার দিন রাতেই সেখানে ছুটে যায় ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের দায়িত্বশীলেরা। রাতভর নিয়োজিত থাকে আহতদের সেবায়। ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমদের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় টিম গিয়ে সার্বিক নির্দেশনা প্রদান করেন।

ভোরে নাস্তা ও খাবার দাবার নিয়ে হাজির হন বাসমাহ ফাউন্ডেশনের কর্মীরা। তাকওয়া ফাউন্ডেশন থেকে ঘোষণা দেয়া হয় ফ্রি এম্বুলেন্স সার্ভিসের।

রানা প্লাজা,রোহিঙ্গা ইস্যু,করোনা ভাইরাস ও বন্যার্তদের সেবায় নজীর সৃষ্টি করা ওলামায়ে কেরামগন যথাসাধ্য সেবা দিয়ে যাচ্ছেন । মানবতার দুর্দিনে ব্যক্তিগত ও সাংগঠনিকভাবে এমন নিঃস্বার্থ অংশগ্রহণ নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে।

বিজয় বাংলা/এস.সি/২০২০