আল কুরআনের কাব্যানুবাদ

বিজয়বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২০
আল কুরআনের কাব্যানুবাদ

পবিত্র কুরআনের প্রথম পূর্ণাঙ্গ ও বিশুদ্ধ কাব্যানুবাদের কাজটি শুরু হয় ১৯ মার্চ ২০০৪, জুমাবার, বাদ মাগরিব থেকে। বিক্ষিপ্তভাবে ১০০ দিনের মত কাজ করে এর প্রথম ১০ পারা সমাপ্ত হয় এবং ২০০৬ সালের জুলাই মাসে তা গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। সেইসাথে দৈনিক ইনকিলাবেও ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হতে থাকে।
২০০৬ এর পর থেকে ২০২০ পর্যন্ত সুদীর্ঘ ১৪ বছরে হাজার ব্যস্ততার ভীড়ে অত্যন্ত বিক্ষিপ্তভাবে আর মাত্র পৌনে তিন পারার কাজ অগ্রসর হয় ।
সর্বশেষ গত ১৬ এপ্রিল ২০২০, বাদ মাগরিব থেকে পূর্ণগতিতে কাজ শুরু হয়ে ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, সোমবার, শেষরাত পর্যন্ত মোট ৫ মাস ১২ দিন সময়কাল এর কাজ চলে। এ সময়কালের ভেতর দুই ঈদসহ অনিবার্য প্রয়োজনে আরও দেড় মাসের কিছু বেশি দিনের বিরতি বাদ দিয়ে বাকি ৪ মাসেরও কিছু কম সময়ের নিবিড় সাধনায় অবশিষ্ট সোয়া ১৭ পারার কাজ দ্রুত সুসম্পন্ন হয়।
বৈশিষ্ট :
—————————————–
১ : এটি কুরআনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ ধারাবাহিক কাব্যানুবাদ। আংশিক নয়।
২ : এটি কুরআনের তুলনামূলক বিশুদ্ধ, বিপুল গবেষণালব্ধ ও নির্ভরযোগ্য কাব্যানুবাদ। আবেগ বা অনুমানভিত্তিক নয়।
৩ : এটি কুরআনের মূলানুগ কাব্যানুবাদ। সারসংক্ষেপ বা ভাবার্থ নয়।
৪ : এটি কুরআনের প্রতিটি আয়াত থেকে আয়াতের ধারাবাহিক স্বতন্ত্র অনুবাদ। মিশ্রিত নয়।
৫ : এটিতে কুরআনের বিশেষ বিশেষ ছন্দসমৃদ্ধ সূরা ও আয়াতসমূহের অনুবাদ সে রকম বিশেষ ছন্দ ও অন্তমিলেই করা হয়েছে। যথা : সূরা আর রাহমান, সূরা তাকভীর ও অন্যান্য।
৬ : এটি যথার্থ কাব্যমান এবং উচ্চতর ভাষা ও সাহিত্যমান-সম্পন্ন কাব্যানুবাদ। ছন্দ-গোজামিল বা অনুত্তীর্ণ সাহিত্যমানপূর্ণ নয়।
৬ : এটি দ্রুততম সময়ে সুসম্পন্ন কাব্যানুবাদ। প্রতিদিন ১২ থেকে ১৬ ঘণ্টা লিখে এর প্রথম দশপারা মোট ১০০ দিনে, পরবর্তী পৌনে ৩ পারা মোট ৩০ দিনে এবং শেষ সোয়া সতের পারা মোট ১১০ দিনে সম্পন্ন হয়েছে। অর্থাৎ সর্বমোট ২৪০ দিন বা ৮ মাসের নিবিড় শ্রম-সাধনায় পুরো কাজটি সুসম্পন্ন করা হয়েছে।
প্রতি পারায় একেবারে শুরুর দিকে ৫ থেকে ১০ দিন এবং পরে মাত্র ৩ থেকে ৬ দিন করে সময় লেগেছে।
যা আল্লাহর সিদ্ধান্ত ও সাহায্য ছাড়া কিছুতেই সম্ভব ছিল না।
*
উল্লেখিত বৈশিষ্ট, মানদণ্ড ও শর্ত-সম্বলিতভাবে এটি দেশ ও বিশ্বে পবিত্র কুরআনের সর্বপ্রথম মানোত্তীর্ণ কাব্যানুবাদ। এ যাবত আর কোন দেশে বা আর কোন ভাষায় তা হয়েছে বলে জানা যায় না।
—————————————–
মহান রাব্বুল আলামীন দয়া করে এই কাজটুকুকে পৃথিবীর সমস্ত কুরআনপ্রেমী মানুষের দুনিয়াবী কল্যাণ ও আখেরাতের নাজাতের ওয়াসীলাহ হিসেবে কবুল করে নিন।
# (বিভিন্ন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, মিডিয়া ও অনলাইন পোর্টাল ফোনে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাইছেন। তাদের সুবিধার্থে কিছু মৌলিক তথ্য ও বৈশিষ্ট উল্লেখ করা হল। এর প্রকাশনা বিষয়ক তথ্য যথাসময়ে জানিয়ে দেয়া হবে, ইনশাআল্লাহ।)