মাওলানা মামুনুল হক ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব

বিজয়বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত অক্টোবর ১০, ২০২০
মাওলানা মামুনুল হক ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর আল্লামা ইসমাঈল নুরপুরী বলেন, দেশব্যাপী গণহারে নারী নির্যাতন ও ধর্ষণ বেড়েই চলছে, ধর্ষকদের নিয়ন্ত্রণে সরকার ব্যার্থ। সরকার দলীয় নেতা-কর্মীরা ক্ষমতার অপব্যবহার করে বহু অন্যায় এবং সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে ধর্ষণের খবরে দেশবাসী অতিষ্ঠ। এই শ্বাসরূদ্ধকর অবস্থা থেকে মামুষ মুক্তি চায়। একমাত্র খেলাফত শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা এবং শরীয়াহ মোতাবেক ধর্ষণের বিচারের মাধ্যমেই এ থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব। প্রতিটি মুসলমানের অন্তরে আল্লাহ ভীতি সৃষ্টির পাশাপাশি কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে এর বিচার করতে হবে।
তিনি আজ দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত নির্বাহী পরিষদের বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
সংগঠনের মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হকের পরিচালনায় বৈঠকে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, নায়েবে আমীর মাওলানা রেজাউল করীম জালালী, মাওলানা খুরশিদ আলম কাসেমী, মাওলানা আলী উসমান, মুফতী সাঈদ নূর, যুগ্মমহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক, মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ, মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন, মাওলানা কোরবান আলী কাসেমী, মাওলানা আব্দুল আজীজ, মুফতি শরাফত হোসাইন, অফিস ও সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলনা আজিজুর রহমান হেলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা জিএম মেহেরুল্লাহ, মাওলানা এনামুল হক মুসা, সহ-বায়তুলমাল সম্পাদক মাওলানা নিয়ামতুল্লাহ, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা মুহসিনুল হাসান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মাওলানা হারুনুর রশীদ ভূঁইয়া, সহ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মাওলানা মুহাম্মদ ফয়সাল, নির্বাহী সদস্য মাওলানা ইউসুফ আশরাফ, মুহাম্মদ শাহাবুদ্দীন, মুফতী হাসান মুরাদাবাদী, মাওলানা আব্দুন নূর, মুহাম্মদ আব্দুর রহীম, মাওলানা সামিউর রহমান মূসা, মাওলানা আনোয়ার আলী, মহানগর সভাপতি মাওলানা রুহুল আমীন খান, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুল মুমিন প্রমূখ।
বৈঠকে দলের মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক আমীরে মজলিস বরাবর অব্যাহতি চেয়ে পত্র দেন এবং তা নির্বাহী পরিষদে গৃহীত হওয়ায় মহাসচিব পদ শূণ্য হলে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মনোনীত হন মাওলানা মামুনুল হক।
বৈঠকে দেশব্যাপী নারী নির্যাতন ও ধর্ষণ বৃদ্ধি পাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করার পাশাপাশি জিনা ব্যাভিচার ও ধর্ষণ বন্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ডের আইন পাশের দাবীতে ১৫ অক্টোবর দেশব্যাপী বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন এবং ঢাকায় ১৭ অক্টোবর একই বিষয়ে সেমিনার করার সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।