সৈয়দ শাহ শামসুদ্দিন (র.) বালিকা মাদরাসা ‘দাওরা হাদিস-এর প্রথম ব্যাচের বোর্ড পরীক্ষায় ৪টা মমতাজ (A+) সহ বোর্ডের মেধা তালিকায় ১ম, ২য় এবং ৩য় স্থান সহ শতভাগ উত্তীর্ণ

বিজয়বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত অক্টোবর ১১, ২০২০
সৈয়দ শাহ শামসুদ্দিন (র.) বালিকা মাদরাসা ‘দাওরা হাদিস-এর প্রথম ব্যাচের বোর্ড পরীক্ষায় ৪টা মমতাজ (A+) সহ বোর্ডের মেধা তালিকায় ১ম, ২য় এবং ৩য় স্থান সহ শতভাগ উত্তীর্ণ

সৈয়দ মবনু:: আলহামদুলিল্লাহ, সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দপুর গ্রামের সৈয়দ শাহ শামসুদ্দিন (র.) হাফিজিয়া দারুল হাদিস বালিকা মাদরাসার ‘তাকমিল ফিল হাদিস-এর প্রথম ব্যাচের ছাত্রীরা বোর্ড পরীক্ষায় চমক তৈরি করলো। ২০২০ খ্রিস্টাব্দের (১৪৪১ হিজরির) ‘তামিল ফিল হাদিস পরীক্ষায় ‘মহিলা দ্বীনি শিক্ষা বোর্ড সুনামগঞ্জ’-এর ২১তম মারকাযি (কেন্দ্রীয়) পরীক্ষায় এই ১০জন ছাত্রী অংশ গ্রহণ করে দশজনই উত্তীর্ণ হয়েছে। হার হিসাবে শতভাগ উত্তীর্ণ। যার মধ্যে ৪ জন মুমতাজ (A+ গ্রেট), এর মধ্য ৩ জন গোটা বোর্ডের মেধা তালিকায় ১. ২. ৩ হয়েছেন। ৩ জন প্রথম শ্রেণী ((A গ্রেট), ১জন ২য় শ্রেণী (A-গ্রেট), ২জন তৃতীয় শ্রেণী ((b গ্রেট) লাভ করে।
সফলকাম কৃতি ছাত্রীরা হলেন, মুমতাজ (A+) এবং বোর্ডের মেধা তালিকায় প্রথম হয়েছেন, শায়খুল হাদিস মাওলানা সৈয়দ আব্দুর রাজ্জাক সাহেবের মেয়ে হাফিজা করিয়া সৈয়দা মাহফুজা খাতুন তায়্যিবা, বোর্ডের মেধা তালিকায় দ্বিতীয় হয়েছেন সৈয়দ নুর আহমদ সাহেবের মেয়ে কারিয়া সৈয়দা নাহিদা জান্নাত প্রমি, ৩য় হয়েছেন কারিয়া সৈয়দা নাহিদা জান্নাত রিমি। শুধু মমতাজ (A+) পেয়েছেন মরহুম বুরহান উদ্দিন খান সাহেবের মেয়ে বুশরা খানম ফারিয়া। প্রথম শ্রেণী (A) লাভ করেছেন, মরহুম বুরহান উদ্দিন খান সাহেবের মেয়ে মাহফুজা খানম হাবিবা, সৈয়দ আব্দুল মজিদ সাহেবের মেয়ে সৈয়দা ফাতেমা জান্নাত যাহরা, সৈয়দ আসাব মিয়া সাহেবের মেয়ে সৈয়দা আফসানা জান্নাত। ২য় শ্রেণী (A-) লাভ করেছেন, সৈয়দ আশরাফ আলীর মেয়ে সৈয়দা সানজিদা জান্নাত। তৃতীয় স্থান (B) লাভ করেছেন মরহুম সৈয়দ আহাদ সাহেবের মেয়ে সৈয়দা আরিফা জান্নাত আনিকা এবং মুহাম্মদ জহির উদ্দিন সাহেবের মুসাম্মাত জুবি জান্নাত।
উল্লেখ্য যে এই মাদরাসায় ‘তাকমিল ফিল হাদিস’-এর ক্লাস ২০১৯ খ্রিস্টাব্দে মাদরাসার মজলিসে শূরার সিদ্ধান্তক্রমে শুরু হয়। প্রথমে আমরা খুব ভয়ে ছিলাম। কারণ মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা আমার বাবা সৈয়দ আতাউর রহমান সাহেব দীর্ঘদিন থেকে অসুস্থ, ফলে অর্থনৈতিক সংকটের কিছু বিষয় রয়েছে। সাথে আমার লেখালেখি সহ আরও কিছু দায়িত্ব আদায় করতে হয়। গ্রামে গিয়ে মাদরাসায় কতটুকু সময় দিতে পারবো, তা ছিলো অনিশ্চিত। তবে মাশাল্লাহ, গ্রামের উলামায়ে কেরাম, সাধারণ মানুষ, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবদের আন্তরিক সহযোগিতায় অনেক ভালোই চলছে। বিশেষ করে মাদরাসার মুহতমিম হাফিজ মাওলানা মুহিবুর রহমান এবং অন্যান্য শিক্ষক এবং শিক্ষিকাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে মাদরাসার শিক্ষার মান বলতে পারি এই বেশ এগিয়ে রেখেছে। আমরা দেশ-বিদেশের সবার দোয়া, পরামর্শ এবং সহযোগিতা চাই।