বৃটেনে জাতীয় ভাবে সার্কিট ব্রেইকার লকডাউন দেয়ার জন্য দাবি জানানো হয়েছে

বিজয় বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত অক্টোবর ১৪, ২০২০
বৃটেনে জাতীয় ভাবে সার্কিট ব্রেইকার লকডাউন দেয়ার জন্য দাবি জানানো হয়েছে

লেবার পার্টির নেতা স্যার কেয়া সারমা প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনকে দায়ী করে বলেন স্বাস্থ্যবিজ্ঞানীরা বৃটেনে সার্কিট ব্রেইকার লকডাউন দেয়ার কথা বলার পরও প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে কোনো পাত্তাই দিচ্ছেন না।

সার্কিট ব্রেইকার লকডাউন দুই/তিন সপ্তাহ মেয়াদি জাতীয়ভাবে লকডাউনকে বলে।

এই সংক্ষিপ্ত লকডাউনের মাধ্যমে ভাইরাসের সংক্রমণের স্পাইকগুলি দীর্ঘস্থায়ী প্রভাবের বিপরীতে কাজ করতে সহায়ক বলে মেডিকেল বিশেষজ্ঞরা জানান।

প্রফেসর নীল ফার্গুসন, যার দূরদর্শী পরিকল্পনার ফলে গত মার্চ মাসে দেশব্যাপী লকডাউন আরোপ করা হয়েছিল। মন্ত্রীদেরকে সতর্ক করে বলা হয় যে, ‘পরে অপেক্ষা না করেই শিগগিরই কাজ করা উচিত’ বা মৃত্যুর সংখ্যা আবার বাড়তে শুরু করবে।

ফ্রান্স এবং স্পেনে যে নতুন নতুন কেইস দেখা যাচ্ছে সে ধরণের পুনরাবৃত্তি এড়াতে বিজ্ঞানীরা একটি ‘সংক্ষিপ্ত তীব্র শক’ দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন।

এই লকডাউন কঠোরভাবে তাদের বাড়ির বা কর্মক্ষেত্রের বাইরের লোকদের সাথে সামাজিকীকরণ একেবারেই বন্ধ করতে
সংশ্লিষ্ট সংস্থার উপর নজরদারির দায়িত্ব জোরদার করা হবে। যদিও সরকারের যৌথ বায়োসিকিউরিটি সেন্টারের জরিপ মতে, ব্রিটেন স্পেনের ছয় সপ্তাহ পিছনে রয়েছে।

বৃটেনের পক্ষে সার্কিট ব্রেইকার লকডাউন বিধিনিষেধের অর্থ হচ্ছে, এই লকডাউন দ্বারা আরোপিত নিষেধাজ্ঞাগুলি পাব, ক্লাব এবং অবসর জায়গায় লোকদের জড়ো হওয়া থেকে বিরত রাখার দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ করা আবশ্যক হবে।

এটি খন্ড খন্ড দীর্ঘমেয়াদি লকডাউনে যাওয়ার প্রয়োজন ছাড়াই কার্যকরভাবে নতুন সংক্রমণের বিস্তার হ্রাস করতে পারে। এই জাতীয় পরিস্থিতিতে স্কুল এবং কর্মক্ষেত্রগুলো খোলা থাকতে পারে।

ইংল্যান্ডে প্রতি সাত-আট দিনে দ্বিগুণ হয়ে যাওয়া সংক্রমণের হার কমিয়ে আনার পর যেহেতু দ্রুতগতিতে সংক্রমন আবারও বাড়ছে সেজন্য ‘ছয় শাসনের’ চেয়েও কঠোর বিধিনিষেধ ও আরোপিত হতে পারে।

মেইল অনলাইন থেকে প্রাপ্ত প্রতিবেদন অনুসারে, আগামী কয়েক মাস জুড়ে পাক্ষিক দীর্ঘ সার্কিট ব্রেইকার লকডাউন যুক্তরাজ্যে চালু করা জরুরি বলে মন্তব্য করেন।