স্বামীর ‘বর্বর’ যৌ’নসঙ্গমে লা’শ হলো কি’শোরী স্ত্রী’

বিজয়বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত অক্টোবর ২৬, ২০২০
স্বামীর ‘বর্বর’ যৌ’নসঙ্গমে লা’শ হলো কি’শোরী স্ত্রী’

বিজয়বাংলা রিপোর্টার:

টাঙ্গাইলের বাসাইলে ৩৪ বছর বয়সী স্বামীর বর্বর যৌ’নসঙ্গমে নুর নাহার নামে ১৪ বছরের এক কি’শোরীর মৃ’ত্যু হয়েছে। মাত্র ৩৪ দিন আগে তার বিয়ে হয়।
রোববার ভোরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতা’লে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃ’ত্যু হয়। যৌ’নাঙ্গ থেকে অ’তিরিক্ত র’ক্তক্ষরণে নুর নাহারের মৃ’ত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাসাইল উপজে’লা স্বাস্থ্য কর্মক’র্তা ফিরোজুর রহমান।

স্থানীয়রা জানায়, নুর নাহার অষ্টম শ্রেণির ছা’ত্রী। তিনি অ’ত্যন্ত মেধাবী ছিলেন। তবে পরিবার অসচ্ছল হওয়ায় নানার বাড়ি উপজে’লার কলিয়া গ্রামে থেকে পড়াশোনা করতেন তিনি। এক মাস চারদিন আগে একই উপজে’লার ফুলকি পশ্চিমপাড়া গ্রামের আব্দুর রশিদের ছে’লে ৩৪ বছর বয়সী প্রবাস ফেরত রাজিব খানের সঙ্গে নুর নাহারের বিয়ে হয়। ইস’লামী শরীয়ত মোতাবেক বিয়ে হলেও রেজিস্ট্রি হয়নি।

আর বিয়ের দিন থেকে নুর নাহারের সঙ্গে মেলামেশা করেন রাজিব খান। পরে ওইদিন থেকেই তার যৌ’নাঙ্গে র’ক্তক্ষরণ হয়। একপর্যায়ে শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাকে কবিরাজ দিয়ে চিকিৎসা করান। র’ক্তক্ষরণ হলেও স্বামী রাজিব খানের ‘বর্বর’ যৌ’নসঙ্গমের নে’শা কমেনি। এতে আরো অ’সুস্থ হয়ে পড়েন কি’শোরী নুর নাহার। পরে ২২ অক্টোবর তাকে টাঙ্গাইলের একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে চিকিৎসা দেয়া হয়।

অবস্থার অবনতি হলে নুর নাহারকে মির্জা’পুর কুমুদিনী হাসপাতা’লে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে চিকিৎসকরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতা’লে পাঠান। রোববার ভোরে সেখানেই নুর নাহারের মৃ’ত্যু হয়। ময়নাত’দন্ত শেষে ওইদিনই নানার বাড়ির কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

এ ব্যাপারে নুর নাহারের নানা লাল খান বলেন, বিয়ের রাত থেকেই যৌ’নাঙ্গ থেকে র’ক্তক্ষরণ হচ্ছিল বলে নাতনি আমাকে জানিয়েছে। এ জন্য নুর নাহারের শাশুড়ি তাকে কবিরাজের ওষুধ খাওয়ান। কিন্তু র’ক্তক্ষরণ বেশি হলে তাকে হাসপাতা’লে পাঠানো হয়।

বাসাইল উপজে’লা স্বাস্থ্য কর্মক’র্তা ফিরোজুর রহমান বলেন, নারীর প্রথম যৌ’ন মিলনে ভ’য় ও আতঙ্ক কাজ করে। অ’প্রাপ্ত বয়সে বিয়ে হলে র’ক্তক্ষরণ হতে পারে। এ জন্য দ্রুত গাইনি বিশেষজ্ঞের পরাম’র্শ নেয়া উচিত।

টাঙ্গাইলের এএসপি আব্দুল মতিন বলেন, এ ঘটনায় অ’ভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি নিয়ে ত’দন্ত চলছে। ময়নাত’দন্ত প্রতিবেদন পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।