গণতন্ত্রের ভাষায় কথা বলুন: বিএনপি’র প্রতি কাদের

বিজয়বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত নভেম্বর ১, ২০২০
গণতন্ত্রের ভাষায় কথা বলুন: বিএনপি’র প্রতি কাদের

আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক ও সরকারের সড়ক-সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বিএনপিকে গণতন্ত্রের ভাষায় কথা বলার আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেছেন,‘বিএনপি আমাদের শত্রু নয়। আমরা তাদের নেতিবাচক রাজনীতির বিরোধিতা করি। বিএনপি মহাসচিব একজন সজ্জন মানুষ। তাকে আড়াল থেকে পুতুল নাচানো হয়। তিনি নির্বাচিত হওয়ার পরও তাকে সংসদে যেতে দেওয়া হয়নি।’

শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় নোয়াখালীর চৌমুহনী পৌর পার্ক ও পৌর বাস টার্মিনাল উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি অংশ নিয়ে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ চিরদিন ক্ষমতায় থাকবে তা আমরা বলি না। তবে জনগণের প্রতি আমাদের আস্থা আছে।’

এ সময় বিএনপিকে উদ্দেশ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপির রাজনীতি এখন ফেসবুক স্ট্যাটাস ও গণমাধ্যমেই সীমাবদ্ধ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন ও অর্জনের কথা বললেই বিএনপির গাত্রদাহ হয়। রাজপথের রাজনীতিতে বিএনপিকে এখন হাজার পাওয়ারের বাতি জ্বালিয়েও খুঁজে পাওয়া যায় না

এর আগে গতকাল রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিএনপি শেষ হয়ে গেছে বলে প্রতিদিন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদককে কথা বলতে হয়। নিরপেক্ষ নির্বাচন দিয়ে সরকারকে তাদের জনপ্রিয়তা যাচাই করার চ্যালেঞ্জ জানান মির্জা ফখরুল।

ওদিকে, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বরচন্দ্র রায় আজ শনিবার নয়া পল্টনে নিজের অফিসে ঢাকা জেলা কৃষক দলের এক প্রতিনিধি সভায় দলের বিভেদের প্রতি ইঙ্গিত দিয়ে বলেছেন, বিএনপির অভ্যন্তরে ‘ঘরোয়া খেলা’ বন্ধ না হলে সরকার হটানোর আন্দোলনে সফলতা আসবে না।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের সিংহভাগ লোক বিএনপিকে পছন্দ করে, যে দল বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ দল, সেই দল পরনির্ভরশীল একটা সরকারকে কিছুই করতে পারছে না। বরং তারা (ক্ষমতাসীন) ব্যাঙ্গাত্মক ভাষায় কথা বলে। এটা আপনাদের সহ্য করতে ভালো লাগে?”

এই অবস্থা থেকে উত্তরণে ভেদাভেদ ভুলে পরস্পরেরে মধ্যে সহযোগিতার মনোভাব বাড়িয়ে সংগঠনকে আন্দোলনমুখী করার আহ্বান জানান তিনি।

অপর দিকে, ঢাকা-১৮ আসনের উপ-নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী এসএম জাহাঙ্গীর হোসেন বলেছেন, আওয়ামী লীগ সংঘর্ষ বাঁধিয়ে মামলা দিতে চায়। তিনি অভিযোগ করে আরও বলেন, আমরা যে এলাকায় কর্মসূচি দিয়েছি, সেই এলাকায় আওয়ামী লীগের বাহিনী রাস্তায় রাস্তায় লাঠিসোটা হাতে নিয়ে মিছিল করছে। কেন মহড়া দিচ্ছে? তারা চায় একটা ঘটনা ঘটিয়ে আমাদের নেতাকর্মীদের নামে মামলা দিতে। যাতে আমরা প্রচার করতে না পারি।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) উত্তরা ৭ নম্বর সেক্টরে লেখক ড্রাইভ রোড, চৌরাস্তা, রবীন্দ্র সরণি রোড, হাউজ বিল্ডিং ও মাসকট প্লাজার সামনে গণসংযোগকালে তিনি বলেন, দলের নেতারা আমাদের সর্বোচ্চ ধৈর্যসহকারে প্রচার চালাতে বলেছেন। আমরাও শান্তিপূর্ণভাবে প্রচার চালাচ্ছি।#

পার্সটুডে