ফুলকপির উপকারিতা ও অপকারিতা

বিজয় বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত ১৮, ফেব্রুয়ারি, ২০২১, বৃহস্পতিবার
ফুলকপির উপকারিতা ও অপকারিতা

ফুলকপির উপকারিতা ও অপকারিতা:

শীতকাল হল এই সবজিটি উৎপাদনের মূল সময়কাল। যদিও বর্তমানে ফুলকপি সারা বছর পাওয়া যায়। তবে,স্বাদের কথা বিবেচনা করলে শীতকালের ফুলকপি স্বাদে উৎকৃষ্ট।

ফুলকপির উপকারিতা:

ক্যান্সার প্রতিরোধ:

ফুলকপিতে থাকা সালফোরাফেন ক্যান্সার সৃষ্টিকারী কোষ ধ্বংস করতে পারে এবং টিউমারের বৃদ্ধিকে বাঁধা দেয়। স্তন ক্যানসার, কোলন ও মূত্রথলির ক্যান্সারের জীবাণুকে ধ্বংস করে ফুলকপি।

ফুসফুস:

ফুলকপি ফুসফুস এর রোগের জন্য দায়ী জীবাণুকে প্রতিরোধে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ:

ফুলকপির সালফোরাফেন উপাদান উচ্চ রক্তচাপ কমায় এবং কিডনি সুস্থ রাখে।

ভিটামিন এবং খনিজ উৎস:


ফুলকপিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ভিটামিন কে, প্রোটিন, থায়ামিন, রিবোফ্লাভিন, নিয়াসিন, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, ফাইবার ভিটামিন বি৬, ফলেট, পটাশিয়াম ও ম্যাঙ্গানিজ। যা আমাদের সুস্থ রাখতে খুবই উপকারী।

মস্তিষ্কের উন্নতি ঘটায়:


ফুলকপিতে বিদ্যমান ভিটামিন বি এবং কোলিন উপাদান মস্তিষ্ক ভালো রাখতে ভীষণ উপকারি। গর্ভবতী মায়েরা নিয়ম করে ফুলকপি খেলে, নবজাতকের মস্তিষ্কের সম্পূর্ণ বিকাশ সাধন হয়।

ওজন কমাতে:

ফুলকপিতে প্রচুর পরিমাণে ডায়েটারি ফাইবার থাকে এবং খুবই কম ক্যালোরি ও ফ্যাট থাকে যা ওজন কমাতে অত্যন্ত সহায়ক।

হজমে সাহায্য:

ফুলকপির অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও সালফার-জাতীয় উপাদান খাবার হজম প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে।

চোখের যত্নে ফুলকপি:

ফুলকপিতে ভিটামিন এ-এর পরিমাণ বেশি থাকায় চোখের যত্নে ফুলকপির কোন তুলনা হয় না। তাই চোখকে সুস্থ আর সুন্দর রাখতে বেশী বেশী ফুলকপি খাওয়া উচিত।

শুধু সুস্থ দেহের জন্যই নয়, চুল, ত্বক ও সাধারণ কাঁটা ছেঁড়া ও ইনফেকশন প্রতিরোধে ফুলকপির তুলনা হয় না।

ফুলকপির অপকারিতা:

বিশেষ কিছু রোগের ক্ষেত্রে,ফুলকপি পুষ্টিকর হলেও কখনো কখনো খাদ্য তালিকা থেকে সাময়িক সময়ের জন্য বাদ দিতে হবে।

বিশেষ করে,যাদের থাইরয়েডের সমস্যা রয়েছে তাদের উচিত যতদিন পর্যন্ত থাইরয়েড নিয়ন্ত্রণে না আসে ততদিন পর্যন্ত ফুলকপি খাদ্য তালিকা থেকে বাদ দেয়া।

যদি খুব বেশি খেতে ইচ্ছা করে সেক্ষেত্রে সীমিত পরিমাণে খুব ভাল ভাবে সিদ্ধ করে খাওয়া।

যারা সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন তাদের ও অতিরিক্ত পরিমাণে ফুলকপি খাওয়াথেকে বিরত থাকতে হবে।কারণ,বেশি পরিমাণে খেলে গ্যাস্টিক হবার সম্ভাবনা রয়েছে।

মনে রাখতে হবে,একজন মানুষকে সুস্থ থাকার জন্য সারাদিনে ৪০০-৪৫০ গ্রাম ফল এবং শাকসবজি অর্থাৎ ফাইবার গ্রহণ করা উচিত।

সুতরাং,শুধু ফল বাশাক বা সবজি নয় বরং এই তিনটি মিলিয়েই অন্তত ৪০০ গ্রাম খেতে হবে।

শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন