ফিলিস্তিনিদের রকেট হামলাঃ গণমাধ্যমের বড় করে দেখানোর পায়তারা

বিজয়বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত ১৪, মে, ২০২১, শুক্রবার
<strong>ফিলিস্তিনিদের রকেট হামলাঃ গণমাধ্যমের বড় করে দেখানোর পায়তারা</strong>

গোলাম মর্তুজাঃ পৃথিবীর অনেক গণমাধ্যম ফিলিস্তিনিদের রকেট হামলাকে অনেক বড় করে দেখানোর চেষ্টা করছে। আমরাও এমন সংবাদ দেখলে পুলকিত হই। বাস্তবে বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিন্ন। রকেট হামলাকে বড় করে দেখালে ইসরায়েলের বোমা হামলাকে কিছুটা জাস্টিফাই করা যায় যে, রকেট হামলার বিপরীতে তারা বোমা হামলা করছে। বাস্তবে ইসরায়েলের সামরিক শক্তির কাছে এই রকেট হামলা একেবারেই তুচ্ছ বিষয়। খেয়াল করে দেখেন, কয়েক হাজার রকেটের মধ্যে ইসরায়েলের ভেতরে পড়েছে মাত্র ৫-৭ টি। ক্ষতি অতি সামান্য। ইসরায়েল আজকালের মধ্যে আর বড় হামলা ও হত্যাযজ্ঞ চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। ইসরায়েলকে ঠেকানোর কেউ নেই।

পৃথিবীর সবচেয়ে বড় উন্মুক্ত কারাগার ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা। খাদ্য-শিক্ষা-পানি-চিকিৎসা নেই। ইসরায়েল অবাধে মাদক সরবরাহ করছে, তরুণ প্রজন্মকে ধ্বংস করে দেওয়ার জন্যে। ৩৬০ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের গাজায় লোকসংখ্যা ১৭-১৮ লাখ।

২০১৮ সালেও ইসরায়েল লক্ষাধিক সৈন্য নিয়ে আক্রমণ করেছে ১৭ লাখ অসহায় গাজাবাসীর উপর। গাজার দুই দিকে ইসরায়েল, একদিকে মিসর, অন্যদিকে সাগর। ইসরায়েল এবং মিশরের সঙ্গে সীমান্ত বন্ধ, সাগরেও চলাচল করতে দেয় না ইসরায়েল। বেঁচে থাকা, টিকে থাকার প্রয়োজনে তারা ইসরাইল ও মিসরের থেকে গোপনে খাদ্য-অস্ত্র আনার জন্যে শত-শত সুরঙ্গ তৈরি করেছে। পিরামিডের চেয়ে কম বিস্ময়কর নয় এসব সুরঙ্গ। ইসরায়েল প্রায় প্রতিদিন গাজায় আক্রমণ করে ফিলিস্তিনি নারী-শিশু হত্যা করছে। ইসরায়েলের এবারের আক্রমণের মূল লক্ষ্য এসব টানেল ধ্বংস করে দেওয়া।

শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন