মসজিদুল আকসার গুরুত্ব

বিজয়বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত ১৫, মে, ২০২১, শনিবার
<strong>মসজিদুল আকসার গুরুত্ব</strong>

যেখানে ইহুদিরা সমগ্র ফিলিস্তিনই দখল করে নিয়েছে সেখানে মাত্র ১২ একর জায়গার জন্য কেন এত অত্যাচার নির্যাতনের পরেও ফিলিস্তিনের মুসলমানরা বারবার মসজিদের দিকে ধাবিত হচ্ছে।

১. পবিত্র কাবা শরীফ নির্মাণের পূর্বে এটিই ছিলো মুসলমানদের কিবলা।

২. এখানেই রয়েছে হযরত ইব্রাহিম আঃ এবং হযরত মূসা আঃ সহ অসংখ্য নবী রাসুলের কবর।

৩. এখানেই আল্লাহর রাসুল সাঃ সকল নবী রাসুলদের এবং ফেরেস্তাদেরকে নিয়ে নামাজ পড়েছিলেন। সেই জামাতের ইমাম ছিলেন মহানবী হযরত মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। এবং এই জামাতে মতান্তরে প্রায় ২৪ হাজার নবী রাসুলগণ ছিলেন।

৪. এটি সেই আক্বসা যেখান থেকে আল্লাহর রাসূল সাঃ মিরাজে আল্লাহর সাথে সাক্ষাতের জন্য উর্ধ্বআকাশে গমন করেছিলেন।

৫. এই মসজিদের নির্মাণের সাথে জড়িয়ে আছে হযরত আদম আঃ এবং সুলাইমান আঃ এর নাম।

৬. এর সাথে জড়িয়ে আছে খলিফা হযরত উমর রাঃ এর সেই বিখ্যাত উটের বিরল ঘটনা।

৭. এখানের সাথেই জড়িয়ে আছে দ্যা গ্রেট সুলতান সালাউদ্দিন আইয়ুবীর অসংখ্য স্মৃতি।

৮. এই মসজিদের পাথরের গায়ে লেখা রয়েছে সম্পূর্ণ সূরা ইয়াসিন।

৯. এই মসজিদের জন্য জ্বীনদের দ্বারা পাথর উত্তোলন করা হয়েছে সাগরের তলদেশ থেকে। যা কিনা কোন মানুষের পক্ষে অসম্ভব।

১০. এই মসজিদে ২ রাকাআত নামাজ আদায় করলে আমল নামায় ২৫ হাজার রাকাআত নামাজের সমপরিমাণ সওয়াব লিখা হবে।

রাসুলুল্লাহ সাঃ এই মসজিদে প্রতি ওয়াক্ত সালাত আদায়ের সওয়াব কোন ব্যক্তির নিজ গৃহে ৫০ হাজার ওয়াক্ত সালাত আদায়ের সমতুল্য বলে হাদিসে উল্লেখ করেছেন।
(সুনান ইবনে মাজা, হাদিস -১৪১৩)

১১. পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ এই মসজিদ নিয়ে আলোচনা করছেন। (সংগৃহিত)

শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন