বাই’আত ও তার প্রকারভেদ

বিজয়বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত ৪, জুলাই, ২০২১, রবিবার
<strong>বাই’আত ও তার প্রকারভেদ</strong>

ড. আবূ বকর মুহাম্মদ যাকারিয়াঃ বাই‘আত একটি ভাষা। এর ব্যবহারের ক্ষেত্রেও শরী‘আতের নির্দেশনা মেনে চলা উচিত।

বাইআত হলো, এমন একপ্রকার চুক্তি যা দুপক্ষের মধ্যে সংঘটিত হয়। শাব্দিক অর্থ বেচা-কেনা করা। মনে হয় প্রত্যেক পক্ষ তার কাছে যা আছে তা অপর পক্ষের কাছে বিক্রি করে, তার নিজের পক্ষ থেকে নিষ্ঠাসহকারে তা প্রদান করেছে বলেই বাই‘আত নামকরণ করা হয়েছে।

বাই‘আত এর প্রকারভেদ:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম কয়েক প্রকার বাই‘আত নিয়েছেন:

১- ইসলাম ও তাওহীদের ওপর বাই‘আত: এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা যারা নতুন ইসলাম গ্রহণ করেছিল তাদের থেকে গ্রহণ করতেন। “হে নবী! মুমিন নারীগণ যখন আপনার কাছে এসে বাই‘আত করে এ মর্মে যে তারা আল্লাহর সাথে কোন শরীক স্থির করবে না, চুরি করবে না, ব্যভিচার করবে না, নিজেদের সন্তানদেরকে হত্যা করবে না, তারা সজ্ঞানে কোনো অপবাদ রচনা করে রটাবে না এবং সৎকাজে আপনাকে অমান্য করবে না, তখন আপনি তাদের বাই‘আত গ্রহণ করুন এবং তাদের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন। নিশ্চয় আল্লাহ্ ক্ষমাশীল পরম দয়ালু।”। [সূরা আল-মুমতাহিনাহ: ১২] এটা কেবল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে সম্পৃক্ত। পরবর্তী কেউই তা আর গ্রহণ করেননি।

২- সাহায্য-সহযোগিতা ও প্রতিরোধ করার ওপর বাই‘আত: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এটি মদীনাবাসীদের থেকে নিয়েছেন। [আকাবার দ্বিতীয় বাই‘আত ছিল, যাতে ৭৩ জন আনসার ছিল। আহমাদ, আল-মুসনাদ ২৫/৮৯, নং ১৫৭৯৮] এ বাই‘আত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম কেবল মদীনাবাসীদের থেকে নিয়েছেন। মক্বাবাসী বা অন্য কোনো দেশের লোকদের থেকে তা নেয়া হয়নি। এটি নেয়ার অধিকার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছাড়া আর কারও নেই। কারণ তিনি মা‘সুম, তার সহযোগিতা ও তার পক্ষ থেকে প্রতিরোধ করা ফরয। যা করতে প্রতিটি মুসলিম বাধ্য। রাসূল পরবর্তী কেউ এমন করেছেন বলে নযীর নেই। তার ওপর কিয়াস করে যারাই এরকমের কিছু দাবী করবে তারা হয় বিদ‘আতী না হয় জাহেল।

৩- জিহাদের ওপর বাই‘আত: কুরআন ও সুন্নায় তা অনেক জায়গায় এসেছে। যার মূলকথা হচ্ছে মৃত্যু পর্যন্ত জিহাদ করা। যেমন, “নিশ্চয় আল্লাহ্ মুমিনদের কাছ থেকে তাদের জীবন ও সম্পদ কিনে নিয়েছেন (এর বিনিময়ে) যেতাদের জন্য আছে জান্নাত। তারা আল্লাহ্র পথে যুদ্ধ করে অতঃপর তারা মারে ও মরে। তাওরাত ইন্জীল ও কুরআনে এ সম্পর্কে তাদের হক ওয়াদা রয়েছে। আর নিজ প্রতিজ্ঞা পালনে আল্লাহ্র চেয়ে শ্রেষ্ঠতর কে আছে সুতরাং তোমরা যে সওদা করেছ সে সওদার জন্য আনন্দিত হও। আর সেটাই তো মহাসাফল্য।”। [সূরা আত-তাওবাহ: ১১১] তদ্রূপ “নিশ্চয় যারা আপনার কাছে বাই‘আত করে তারা তো আল্লাহ্রই হাতে বাই‘আত করে। আল্লাহর হাত তাদের হাতের উপর। তারপর যে তা ভঙ্গ করে তা ভঙ্গ করার পরিণাম বর্তাবে তারই উপর এবং যে আল্লাহর সাথে কৃত অঙ্গীকার পূর্ণ করে তবে তিনি অবশ্যই তাকে মহাপুরস্কার দেন।”। [সূরা আল-ফাতহ: ১০] অনুরূপ “অবশ্যই আল্লাহ্ মুমিনগণের উপর সন্তুষ্ট হয়েছেন যখন তারা গাছের নীচে আপনার কাছে বাই‘আত গ্রহণ করেছিল অতঃপর তাদের অন্তরে যা ছিল তা তিনি জেনে নিয়েছেন ফলে তিনি তাদের উপর প্রশান্তি নাযিল করলেন এবং তাদেরকে আসন্ন বিজয়ে পুরস্কৃত করলেন”। [সূরা আল-ফাতহ: ১৮] এটা নেয়ার অধিকারও একমাত্র রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের ছিল। তার পরবর্তী কোথায় তা হয়েছে বলা হলেও সেটা রাষ্ট্রপ্রধানের নিযুক্ত প্রতিনিধির হাতে হয়েছে। রাষ্ট্রীয় শক্তির বাইরে কারও জন্য এ বাই‘আত নেয়ার অধিকার নেই।

৪- হিজরতের ওপর বাই‘আত: যা ইসলামের প্রাথমিক সময়ে যারাই ইসলাম গ্রহণ করতো তাদের থেকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম গ্রহণ করতেন। মক্কা বিজয়ের পর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘মক্কা-বিজয়ের পর বাই‘আত নেই’। অর্থাৎ মক্কা থেকে আর হিজরত নেই, সুতরাং সে বাই‘আতও আর অবশিষ্ট নেই।

৫- শোনা ও আনুগত্যের বাই‘আত: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা রাষ্ট্রপ্রধান হিসাবে গ্রহণ করেছেন, তারপর খলীফাগণ গ্রহণ করেছেন। রাষ্ট্রপ্রধানগণদের মধ্যে বর্তমানে যারা নব্য গণতন্ত্র দ্বারা প্রভাবিত হয়নি তারা এখনো তা গ্রহণ করে। যেমন, সৌদী আরবের বাদশাহ, মরক্কোর বাদশাহ, জর্দানের বাদশাহ প্রমুখ।

বর্তমানে বাই‘আত বলা হলে এ বাই‘আতই উদ্দেশ্য হয়ে থাকে।

এ বাই‘আতের কিছু শর্ত আলেমগণ বলেছেন:

১- তার ওপর মানুষের ঐক্য হওয়া।
২- তার রাষ্ট্রপ্রধান হওয়ার শর্ত পূরণ করা।
৩- সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা তার হাতে বাই‘আত করা।

এ বাই‘আতের বিভিন্ন বিধান:
১- এটি ফরযে কিফায়াহ, কিছু মানুষ করলেই তা আদায় হয়ে যাবে।
২- একক ব্যক্তির হাতে হবে, বা তার প্রতিনিধির হাতে হবে।
৩- বাই‘আত অনুষ্ঠিত হয়ে যাবে বিশেষ লোকদের দ্বারা, তারপর সাধারণ বাই‘আতে সকলে অংশীদার হবে।
৪- রাষ্ট্র প্রধান ছাড়া অন্য কারও হাতে বাই‘আত করা বিদ‘আত। এগুলো মতভেদকে আরও বাড়িয়ে তোলার মাধ্যম [শাইখ সালেহ আল-ফাওযান, আল-মুন্তাকা মিন ফাতাওয়া ১/৩৬৭]
৫- বাই‘আত পুরুষদের মধ্যে মুসাফাহার মাধ্যমে অথবা কথার মাধ্যমে হবে, অথবা লিখিত মাধ্যমে হবে। যেমনটি নাজ্জাসী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে চিঠি লিখে করেছিলেন। আর নারীদের মধ্য হতে কথার মাধ্যমে এমনকি তাদেরও লেখার মাধ্যমে হতে পারে। কোনোক্রমেই তাদের হাত ধরার মধ্যে হবে না।
৬- যেসব হাদীসে বলা হয়েছে, ‘যে কেউ মারা যাবে অথচ তার ঘাড়ে বাই‘আত নেই তার মৃত্যু জাহেলিয়াতের মৃত্যু’।
মুসলিম, আস-সহীহ হাদীস নং ১৮৫১।

অনুরূপ ‘যে কেউ কোনো শাসকের হাতে বাইআত হয়ে তাকে হাতের ওয়াদা করেছে ও অন্তরের ফল দিয়েছে, সে যেনে তার আনুগত্য করে যতটুকু সম্ভব, যদি অন্য কেউ সেখানে তার সাথে যুদ্ধ করতে আসে তবে যেন অপর জনের গর্দান উড়িয়ে দেয়া হয়।’ মুসলিম, আস-সহীহ, হাদীস নং ১৮৪৪।

তদ্রূপ অপর হাদীস ‘যদি দু’জন খলীফার বাই‘আত করা হয়, তবে তোমরা পরবর্তী জনকে হত্যা করো। মুসলিমআস-সহীহহাদীস নং ১৮৫৩; এসব হাদীস সবই রাষ্ট্র সরকারের জন্য। এগুলো স্পষ্ট। তন্মধ্যে প্রথম হাদীসটির অর্থ রাষ্ট্রপ্রধানের আনুগত্য বর্ণনা করা। দল ও সংগঠনের লোকদের দ্বারা বাইআত তৈরী করা নয়। বিষয়টি স্পষ্ট। অজ্ঞতার কারণে দলীয় সংগঠন কিংবা তথাকথিত পীরশ্রণি এ ধরনের বাই‘আতের পিছনে ছুটে চলেছে।
তাহলে আমাদের কাছে স্পষ্ট হলো যে, বাই‘আত শুধুমাত্র মুসলিম ক্ষমতাধর শাসকের অধিকার। তিনি যেভাবেই ক্ষমতায় আসুন না কেন, তার বাই‘আত ওয়াজিব হয়ে যায়। তবে শর্ত হচ্ছে, তিনি অবশ্যই এর জন্য যোগ্য হবেন। যেমন ঈমানদার হবেন, পুরুষ হবেন, শারিরীক ও মানসিকভাবে সুস্থ হবেন। এসব শর্ত পাওয়া গেলে আনুগত্যের বাইআত নেয়া ওয়াজিব। কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদীসে এসেছে, ‘যে ব্যক্তি মারা গেল অথচ তার ঘাড়ে বাইআত নেই, তার মৃত্যু জাহেলিয়াতের মৃত্যু।’ এখানে একটি কথা বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে যে, এ হাদীস কেবল তখন প্রযোজ্য হবে তখন গ্রহণযোগ্য শাসক পাওয়া যাবে এবং তিনি বাই‘আত বা আনুগত্যের আহ্বান জানাবেন। কিন্তু যদি কোনো শাসক পাওয়া না যায় তখন তাদের মৃত্যু জাহেলিয়াতের মৃত্য হচ্ছে এটা বলা যাবে না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের উদ্দেশ্য ইমাম থাকলে যেন কেউ জাহেলী যুগের মত কর্ম না করে, যেখানে কেউ কারো কর্তৃত্ব ও নেতৃত্ব মানতো না, পরস্পর হানাহানিতে লিপ্ত থাকত।

তাই যদি কোথাও শর্ত পূরণ করে এমন শাসক না পাওয়া যায় তখন তারা যদি নিজেদের মধ্যে সৎভাবে চলতে পারে তবে সেটা অবশ্যই যথেষ্ট হয়ে যাবে। কোনো বানানো বাই‘আত তখন তৈরী করা যাবে না। কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে হুযাইফা ইবনুল ইয়ামান প্রশ্ন করেছিলেন, যদি কোনো শাসক ও মুসলিম জামা‘আত না থাকে তো কী করব? তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন তাহলে সকল দল থেকে নিজেকে আলাদা রাখবে, যদিও গাছের মূলে কামড় দিয়ে থাকতে হয়, যতক্ষণ না তোমার মৃত্যু আসছে, আর তুমি তার ওপর থাকলে।” [বুখারীআল-জামে‘উস সহীহহাদীস নং ৩৬০৬]

দেখো যাচ্ছে যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম কৃত্রিম বাই‘আত তৈরী করতে বলেননি। সুতরাং যদি শাসক থাকে আর তিনি বাই‘আতের আহ্বান জানান তবেই বাই‘আত করতে হবে, তখন শর্ত পূরণ করার পরও বাই‘আত না করলে গুনাহগার হবে, নতুবা নয়। আর এ বাই‘আত শুধু একজনের জন্যই হবে, অর্থাৎ শাসকের জন্যই হবে, কয়েক জনের জন্য নয়। আগেই বলেছি যে, এ বাই‘আত শর‘ঈ পরিভাষা, যেখানে সেখানে তা ব্যবহৃত হতে পারে না।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, মুসলিমরা ভালো কাজের জন্য, যেমন দাওয়াত, সৎকাজের আদেশ, অসৎকাজে নিষেধ ইত্যাদিতে একতাবদ্ধ হতে বা সংগঠিত হতে পারবে না?

উত্তর: আলেমগণ এ ধরণের সংগঠিত হওয়াকে শর্তসাপেক্ষে জায়েয বলেছেন। যেমন,
১- এর জন্য পূর্বোল্লেখিত শাসকের বাই‘আত হতে পারবে না।
২- এ চুক্তির যিনি নেতৃত্ব দিবেন তিনি নিজেকে মুসলিমদের শাসকের পর্যায়ে মনে করতে পারবেন না। যেসব জিনিস শাসকের সাথে জড়িত সেগুলো করতে পারবেন না। যেমন, যাকাত আদায়, শত্রুর বিরুদ্ধে জিহাদ পরিচালনা, বিচারক নিয়োগ, শাসক নিয়োগ ইত্যাদি।
৩- এর ওপর ওয়ালা ও বারা নির্ভর করতে পারবে না। অর্থাৎ তাদের সাথে কেউ না থাকলে বা একমত না হলে তার শত্রুতা করা কিংবা তাদের সাথে থাকলেই তার সাথে মিত্রতা করার নীতি প্রয়োগ করা যাবে না।
৪- যারা তাদের সাথে যুক্ত হয়নি, অথচ তারাও অন্যান্য ভালো কাজ করছে তাদের থেকে নিজেদেরকে ভালো বা শ্রেষ্ঠ মনে করতে পারবে না।
৫- নিজেদের শুধু পরিচয়ের জন্য অন্য নাম ব্যবহার করতে পারবে, কিন্তু অন্য নাম দিয়ে মুসলিমদের জামা‘আত থেকে ভালো অবস্থানে আছে এমনটি বুঝানোর জন্য নতুন নাম ব্যবহার জায়েয নাই।
৬- তাদের সাথে যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে যুক্ত হওয়ার ব্যাপারে একাত্মতার ব্যাপারে চুক্তিবদ্ধ হয়, পরে তিনি কোনো কারণে তাদের সাথে না থাকে তবে সেটাকে মুসলিম শাসকের বাই‘আত ভঙ্গ করার গুনাহগার বলতে পারবে না।
৭- তাদের সাথে যুক্ত থাকলে অন্য কারো সাথে ভালো কাজে যুক্ত হতে পারবে না, এমন কিছু থাকতে পারবে না।
৮- এ প্রকার কাজ করার জন্য যদি চুক্তিবদ্ধতা বা অঙ্গিকারাবদ্ধতার প্রয়োজন দেখা না দেয় তবে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার জন্য আহ্বান জানানো যাবে না।
৯- কারো ওপর যদি রাষ্ট্রীয় বাই‘আত থাকে, তবে এ ধরনের কোনো চুক্তি সে রাষ্ট্রীয় বাই‘আত এর বিরোধী বা তার সাথে সাংঘর্ষিক হতে পারবে না।
১০- এ জাতীয় অঙ্গীকার শর‘ঈ কাঠামোর মধ্যে হতে হবে। শরী‘আত বিরোধী যত চুক্তি সব বাতিল হবে, সেটা শত চুক্তি হলেও।
১১- এ ব্যাপার অঙ্গীকারকে বাই‘আত বলা যাবে না। শাইখ ইবন বায রাহিমাহুল্লাহ ১১/৪/১৪১৮ হিজরীতে হজের সময় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আলেমগণকে এ ব্যাপারে নসীহত করেন যেন তারা এ কাজকে বাই‘আত নাম না দেয়, বরং তারা যেন আকদ বা আহদ এমন নাম প্রদান করে।
১২- এ ধরনের অঙ্গীকার এর ক্ষেত্রে আমৃত্যু যোগ করা যাবে কিনা এ ব্যাপারে দ্বিমত আছে। অধিকাংশ আলেম তা জায়েয মনে করেন না।

শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন
  • 13
    Shares