কেন আরবরা মুসলিম উম্মাহর মহান নেতা এরদোয়ানকে এতোটা পছন্দ করে?

বিজয়বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত ১০, জুলাই, ২০২১, শনিবার
<strong>কেন আরবরা মুসলিম উম্মাহর মহান নেতা এরদোয়ানকে এতোটা পছন্দ করে?</strong>

মাসুমুর রহমান খলিলীঃ প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান আরব বিশ্বের পশ্চিম থেকে পূর্ব পর্যন্ত সর্বত্র বেশ জনপ্রিয়। এমনকি নিজ দেশ তুরস্কের মধ্যে তিনি যতটা জনপ্রিয় তার চেয়েও বেশি জনপ্রিয় আরবে। আরবরা এরদোয়ানকে কেবল তুরস্কের প্রেসিডেন্ট নয়, উম্মাহর নেতা হিসেবে দেখে়। অনেকেই এই বিতর্কের মধ্যে ডুবে আছে যে, যারা তুর্কি ভাষা বোঝে না এবং তাদের মতামতকে প্রভাবিত করার জন্য তুর্কি মিডিয়া তাদের কাছে যায়নি এমন লোকদের মধ্যে এরদোয়ান কি কারণে এতো ব্যাপকভাবে জনপ্রিয়।

আরবরা উমর বিন আব্দুল আজিজ, গাজী সালাহ উদ্দিন বা সাইফ আদ-দীন কুতুসের মতো মহান মুসলিম নায়কদের যেভাবে গল্প করে সেভাবে এরদোগানের খবর এবং গল্প নিজেদের মধ্যে প্রচার করে। লোকেরা তার সম্পর্কে যা বলে তার অধিকাংশই ফ্যান্টাসি বা ইচ্ছাকৃত ভাবনা মনে হতে পারে। এর পরও তার যে ধরনের স্বীকৃতি রয়েছে সে রকমটি কোন আরব বা মুসলিম নেতা কয়েক দশক ধরে পায়নি। কেউ কেউ তাকে অটোমান খলিফা অথবা ১৮৭৬ থেকে ১৯১৮ সালে মৃত্যু নাগাদ অটোমান সাম্রাজ্য শাসনকারী সুলতান আবদুল হামিদ দ্বিতীয় এর উত্তরসুরি হিসাবেও উল্লেখ করেছেন।

অনেক আরবের মতে. বর্তমান এরদোয়ান এবং সুলতান আবদুল হামিদের মধ্যে যৌক্তিক যোগসূত্র রয়েছে। অবশ্যই, অটোমানদের মুসলমানদের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার করার নীতি এরদোয়ানের নীতির ঐতিহাসিক উত্স। সুলতান আবদুল হামিদ বলেছিলেন, “আমরা সর্বত্র অন্যান্য মুসলমানদের সাথে আমাদের সম্পর্ককে শক্তিশালী করতে চাই,”। সুলতান আরো বলেন, “আমাদের অবশ্যই এক হতে হবে। ঐক্য ছাড়া ভবিষ্যতে কোন আশা নেই”। এরদোয়ানও আজ সেই একই নীতিতে বিশ্বাস করেন।

আরব বিশ্বে প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানকে এত জনপ্রিয় করার জন্য অনেকগুলো বিষয় কাজ করেছে। প্রথমত, তিনি এবং তার দল ২০০২ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে তুর্কি অর্থনীতি চাঙ্গা হয়েছে। ২০০২ থেকে ২০১১ সাল নাগাদ সারা দেশের গড় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৫.২ শতাংশের মতো। গত ৬ বছরে এটি ৬.৭ শতাংশে উন্নীত হয়েছে, যা তুরস্ককে জি -২০ গ্রুপে নিয়ে গেছে। ১৭ বছর যাবত্ এরদোয়ান তুরস্কের নেতৃত্বে রয়েছেন আর এ সময় তুর্কি অর্থনীতির আকার বিশ্বের ১৭ তম স্থানে পৌছে গেছে। এটি স্বাভাবিকভাবেই তার নাগরিকদের কল্যাণ এবং তাদের দৈনন্দিন জীবনমানে প্রভাব ফেলেছে।

আধুনিক তুরস্কের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এরদোয়ান ও তার দল সামরিক শাসন এবং জেনারেলদের আধিপত্যের অবসান ঘটাতে পেরেছেন। এটি অবিলম্বে দেশে দুর্নীতির মাত্রাকে কমিয়ে ফেলে। অনেক আরব দেশ তাদের সরকারে সামরিক আধিপত্যে ভুগছে, যার ফলে গোয়েন্দা সংস্থা বা সেনাবাহিনীর একজন মধ্য সারির অফিসারও তার ব্যক্তিগত লাভের জন্য সরকার বা সংসদীয় সিদ্ধান্ত বাতিল করতে সক্ষম হয়।

তুর্কি প্রেসিডেন্ট গ্রামাঞ্চলের একটি অসচ্ছল পরিবার থেকে আসেন আর তার এই পটভূমি অনেক আরবের কাছে বিশেষ আবেদন রেখেছে। সুখী জীবনযাপনের জন্য তার পরিবার ইস্তাম্বুলে স্থানান্তর হয়। আর কিশোর বয়সে এরদোয়ান ইস্তাম্বুলের রাস্তার পাশ্বের দোকানে তরমুজ এবং “সিমিট” নামে একটি তুর্কি রুটি বিক্রি করেছেন তার বাবা ও পরিবারের আর্থিক সহায়তা এবং জীবন মানে মর্যাদা আনার জন্য।

তবে আরবরা বিপ্লবের আগে বা পরে কখনোই এমন কোন প্রেসিডেন্টর নামের সাথে পরিচিত হয়নি যিনি সিল্কের উপর ঘুমাতেন না এবং দুর্নীতিবাজ শ্রেণী থেকে তাদের সফরসঙ্গি এবং বন্ধু বাছাই হতো না যারা সর্বদা মানুষকে ভয় দেখানোর জন্য প্রস্তুত থাকে। এরদোয়ান এর ব্যতিক্রম।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, এরদোয়ান ৩৪ লাখ সিরিয়ান শরণার্থীর জন্য তুরস্কের দরজা খুলে দিয়েছেন। সেই সাথে হাজার হাজার মিশরীয়, লিবীয়, ইয়েমেনী এবং অন্যান্য আরবদের তিনি আশ্রয় দিয়েছেন যাদের জন্য নিজেদের দেশের দ্বার বন্ধ হয়ে গেছে। এই একই সময়ে, তুরস্ক বর্তমানে ৭২ হাজার বিদেশী ছাত্রকে পড়ার সুযোগ করে দিয়েছে যার মধ্যে বেশিরভাগ আরব এবং তাদের বেশিরভাগই তুর্কি সরকারের কাছ থেকে অনুদান নিয়ে পড়াশোনা করছে। অথচ আরব দেশগুলো তাদের সন্তানদের বিনামূল্যে শিক্ষা প্রদান করে না। গত বছরে, ৮৩ হাজার আরব শিক্ষার্থী তুর্কি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নের জন্য বৃত্তির আবেদন করেছে। আমরা কোন আরব দেশ থেকে এতো সংখ্যক ছাত্রকে অনুদান বা অন্য কোনও উপায়ে পড়া লেখার সুবিধা দেয়ার কথা ভাবতে পারি না।

তাছাড়া, আরব দেশগুলির অধিকাংশ নাগরিক কোন বাধা বা ভিসা ছাড়া তুরস্ক প্রবেশ করতে পারেন। অথচ এক আরব দেশ থেকে অন্য আরব দেশে যাওয়ার চেষ্টা করলে সীমান্তে ভিসার প্রয়োজন হয়। আর এর বাইরেও অন্যান্য বাধা রয়েছে যা তুরস্কের অবস্থা থেকে একেবারে বিপরীত।

গাজার অবরোধ ভাঙার জন্য ২০১০ সালে তুরস্কের পাঠানো জাহাজ ফ্লোটিলা মাভি মারমারার বোর্ডে নয়জন তুর্কি নাগরিককে ইসরাইল যখন হত্যা করে (জখমের পরে দশম জনের মৃত্যু ঘটে) তখন আঙ্কারা ও তেল আবিবের মধ্যে সম্পর্ক পাঁচ বছরের জন্য বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তবে যখন ইসরাইল আরব ভূমি ফিলিস্তিনে আরব নাগরিকদের হত্যা করে তখন আরব সরকার ও তেল আবিবের মধ্যে সম্পর্ক কেবল পাঁচ মাস ধরে “শীতল” থাকে, পাঁচ বছর নয়। আর তারপর সম্পর্ক স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে।

অবশেষে, এরদোয়ানের অধীনে গণতান্ত্রিক তুরস্কে সন্ত্রাসবাদ এবং সহিংসতার জন্য অভিযুক্ত একজন কারাবন্দী সালাউদ্দিন ডেমিরেটাস সাম্প্রতিক প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হিসাবে দাঁড়াতেও সক্ষম হয়েছেন। আরব গণতন্ত্রের মধ্যে এর, বিপরীত চিত্রটি হলো, একজন প্রেসিডেন্টকে কারাগারে বন্দী করা হয় এবং সকল ব্যালট বাক্স বাতিল করা যেতে পারে যেন নির্বাচনের কোন ঘটনা আসলে ঘটেনি।

এই সমস্ত কারণের জন্য, আরবরা এরদোয়ানকে পছন্দ করে এবং তারা তুরস্কে পড়তে বা বসবাস করতে যাচ্ছে। এ কারণে তারা গত মাসে প্রেসিডেন্ট ও সংসদীয় নির্বাচনকেও এমনভাবে অনুসরণ করেছিল যেন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আরব রাজধানীতে এটি হচ্ছে। তারা বিশ্বাস করে এটি এই অঞ্চলের একমাত্র ন্যায্য নির্বাচনই কেবল নয় বরং এ অঞ্চলের ভাগ্য নির্ধারণে তাদেরকে গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর বলেও মনে করে। বলার অপেক্ষা রাখে না যে প্রেসিডেন্ট রেসেপ তায়িপ এরদোয়ানের প্রভাব সৃষ্টির মতো অনেক বড় একটি অবস্থান রয়েছে।
অনেক আরবের মতে. বর্তমান এরদোয়ান এবং সুলতান আবদুল হামিদের মধ্যে যৌক্তিক যোগসূত্র রয়েছে। অবশ্যই, অটোমানদের মুসলমানদের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার করার নীতি এরদোয়ানের নীতির ঐতিহাসিক উত্স। সুলতান আবদুল হামিদ বলেছিলেন, “আমরা সর্বত্র অন্যান্য মুসলমানদের সাথে আমাদের সম্পর্ককে শক্তিশালী করতে চাই,”। সুলতান আরো বলেন, “আমাদের অবশ্যই এক হতে হবে। ঐক্য ছাড়া ভবিষ্যতে কোন আশা নেই”। এরদোয়ানও আজ সেই একই নীতিতে বিশ্বাস করেন।

আরব বিশ্বে প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানকে এত জনপ্রিয় করার জন্য অনেকগুলো বিষয় কাজ করেছে। প্রথমত, তিনি এবং তার দল ২০০২ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে তুর্কি অর্থনীতি চাঙ্গা হয়েছে। ২০০২ থেকে ২০১১ সাল নাগাদ সারা দেশের গড় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৫.২ শতাংশের মতো। গত ৬ বছরে এটি ৬.৭ শতাংশে উন্নীত হয়েছে, যা তুরস্ককে জি -২০ গ্রুপে নিয়ে গেছে। ১৭ বছর যাবত্ এরদোয়ান তুরস্কের নেতৃত্বে রয়েছেন আর এ সময় তুর্কি অর্থনীতির আকার বিশ্বের ১৭ তম স্থানে পৌছে গেছে। এটি স্বাভাবিকভাবেই তার নাগরিকদের কল্যাণ এবং তাদের দৈনন্দিন জীবনমানে প্রভাব ফেলেছে।

আধুনিক তুরস্কের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এরদোয়ান ও তার দল সামরিক শাসন এবং জেনারেলদের আধিপত্যের অবসান ঘটাতে পেরেছেন। এটি অবিলম্বে দেশে দুর্নীতির মাত্রাকে কমিয়ে ফেলে। অনেক আরব দেশ তাদের সরকারে সামরিক আধিপত্যে ভুগছে, যার ফলে গোয়েন্দা সংস্থা বা সেনাবাহিনীর একজন মধ্য সারির অফিসারও তার ব্যক্তিগত লাভের জন্য সরকার বা সংসদীয় সিদ্ধান্ত বাতিল করতে সক্ষম হয়।

তুর্কি প্রেসিডেন্ট গ্রামাঞ্চলের একটি অসচ্ছল পরিবার থেকে আসেন আর তার এই পটভূমি অনেক আরবের কাছে বিশেষ আবেদন রেখেছে। সুখী জীবনযাপনের জন্য তার পরিবার ইস্তাম্বুলে স্থানান্তর হয়। আর কিশোর বয়সে এরদোয়ান ইস্তাম্বুলের রাস্তার পাশ্বের দোকানে তরমুজ এবং “সিমিট” নামে একটি তুর্কি রুটি বিক্রি করেছেন তার বাবা ও পরিবারের আর্থিক সহায়তা এবং জীবন মানে মর্যাদা আনার জন্য।

তবে আরবরা বিপ্লবের আগে বা পরে কখনোই এমন কোন প্রেসিডেন্টর নামের সাথে পরিচিত হয়নি যিনি সিল্কের উপর ঘুমাতেন না এবং দুর্নীতিবাজ শ্রেণী থেকে তাদের সফরসঙ্গি এবং বন্ধু বাছাই হতো না যারা সর্বদা মানুষকে ভয় দেখানোর জন্য প্রস্তুত থাকে। এরদোয়ান এর ব্যতিক্রম।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, এরদোয়ান ৩৪ লাখ সিরিয়ান শরণার্থীর জন্য তুরস্কের দরজা খুলে দিয়েছেন। সেই সাথে হাজার হাজার মিশরীয়, লিবীয়, ইয়েমেনী এবং অন্যান্য আরবদের তিনি আশ্রয় দিয়েছেন যাদের জন্য নিজেদের দেশের দ্বার বন্ধ হয়ে গেছে। এই একই সময়ে, তুরস্ক বর্তমানে ৭২ হাজার বিদেশী ছাত্রকে পড়ার সুযোগ করে দিয়েছে যার মধ্যে বেশিরভাগ আরব এবং তাদের বেশিরভাগই তুর্কি সরকারের কাছ থেকে অনুদান নিয়ে পড়াশোনা করছে। অথচ আরব দেশগুলো তাদের সন্তানদের বিনামূল্যে শিক্ষা প্রদান করে না। গত বছরে, ৮৩ হাজার আরব শিক্ষার্থী তুর্কি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নের জন্য বৃত্তির আবেদন করেছে। আমরা কোন আরব দেশ থেকে এতো সংখ্যক ছাত্রকে অনুদান বা অন্য কোনও উপায়ে পড়া লেখার সুবিধা দেয়ার কথা ভাবতে পারি না।

তাছাড়া, আরব দেশগুলির অধিকাংশ নাগরিক কোন বাধা বা ভিসা ছাড়া তুরস্ক প্রবেশ করতে পারেন। অথচ এক আরব দেশ থেকে অন্য আরব দেশে যাওয়ার চেষ্টা করলে সীমান্তে ভিসার প্রয়োজন হয়। আর এর বাইরেও অন্যান্য বাধা রয়েছে যা তুরস্কের অবস্থা থেকে একেবারে বিপরীত।

গাজার অবরোধ ভাঙার জন্য ২০১০ সালে তুরস্কের পাঠানো জাহাজ ফ্লোটিলা মাভি মারমারার বোর্ডে নয়জন তুর্কি নাগরিককে ইসরাইল যখন হত্যা করে (জখমের পরে দশম জনের মৃত্যু ঘটে) তখন আঙ্কারা ও তেল আবিবের মধ্যে সম্পর্ক পাঁচ বছরের জন্য বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তবে যখন ইসরাইল আরব ভূমি ফিলিস্তিনে আরব নাগরিকদের হত্যা করে তখন আরব সরকার ও তেল আবিবের মধ্যে সম্পর্ক কেবল পাঁচ মাস ধরে “শীতল” থাকে, পাঁচ বছর নয়। আর তারপর সম্পর্ক স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে।

অবশেষে, এরদোয়ানের অধীনে গণতান্ত্রিক তুরস্কে সন্ত্রাসবাদ এবং সহিংসতার জন্য অভিযুক্ত একজন কারাবন্দী সালাউদ্দিন ডেমিরেটাস সাম্প্রতিক প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হিসাবে দাঁড়াতেও সক্ষম হয়েছেন। আরব গণতন্ত্রের মধ্যে এর, বিপরীত চিত্রটি হলো, একজন প্রেসিডেন্টকে কারাগারে বন্দী করা হয় এবং সকল ব্যালট বাক্স বাতিল করা যেতে পারে যেন নির্বাচনের কোন ঘটনা আসলে ঘটেনি।

এই সমস্ত কারণের জন্য, আরবরা এরদোয়ানকে পছন্দ করে এবং তারা তুরস্কে পড়তে বা বসবাস করতে যাচ্ছে। এ কারণে তারা গত মাসে প্রেসিডেন্ট ও সংসদীয় নির্বাচনকেও এমনভাবে অনুসরণ করেছিল যেন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আরব রাজধানীতে এটি হচ্ছে। তারা বিশ্বাস করে এটি এই অঞ্চলের একমাত্র ন্যায্য নির্বাচনই কেবল নয় বরং এ অঞ্চলের ভাগ্য নির্ধারণে তাদেরকে গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর বলেও মনে করে। বলার অপেক্ষা রাখে না যে প্রেসিডেন্ট রেসেপ তায়িপ এরদোয়ানের প্রভাব সৃষ্টির মতো অনেক বড় একটি অবস্থান রয়েছে।

শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন