আহাফি থেকে নবীজির পানাহ চাওয়া

বিজয়বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত ১৭, জুলাই, ২০২১, শনিবার
<strong>আহাফি থেকে নবীজির পানাহ চাওয়া</strong>

রশীদ জামিলঃ ‘ইয়া আল্লাহ! গায়র মুকাল্লিদ তো কি, যে যুগে গায়রে মুকাল্লিদের জন্ম হবে, সেই যুগ থেকেই আমি পানাহ চাচ্ছি… হযরত সাহল ইবনে সা’দ রাদ্বিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত হাদিস, নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর কাছে দুআ করেছেন-

اللَّهُمَّ لَا يُدْرِكْنِي زَمَانٌ وْ لَا تُدْرِكُوا زَمَانًا لَا يُتْبَعُ فِيهِ الْعَلِيمُ ،
وَلَا يُسْتَحَى فِيهِ مِنَ الْحَلِيمِ ، قُلُوبُهُمْ قُلُوبُ الْأَعَاجِمِ ، وَأَلْسِنَتُهُمْ أَلْسِنَةُ الْعَرَبِ

হে আল্লাহ! আমাকে সেই যুগটাও যেন দেখতে না-হয়, যে যুগে আলেমদের অনুসরণ করা হবে না। লাজ-লজ্জা থাকবে না। তাদের অন্তর বোবা হয়ে থাকবে কিন্তু জবান থাকবে সচল।
(মুসনাদে আহমদ, হাদিস নং ২২৩৭৯)

কী দুআ করলেন আল্লাহর নবি?
নবিজি বলছেন, হে আল্লাহ! গায়রে মুকাল্লিদ তো কি, যে যুগে গায়রে মুকাল্লিদের জন্ম হবে, আমি সেই যুগটাও দেখতে চাচ্ছি না। সেই যুগ থেকেও আমি আপনার কাছে পানাহ চাই আল্লাহ। আলেমগণ হলেন আমার ওয়ারিস। আমার ওয়ারসিদের অনুসরণ করা হচ্ছে না- এটা আমি দেখতে চাই না।

আর এই যে আলেমদের থেকে দূরে সরে গিয়ে যার যা খুশি করতে থাকবে, সেটা কোরআন-হাদিসের কারণে নয়, শরিয়তের দৃষ্টিভঙ্গিজনিত কারণেও নয়।
কারণ একটাই।
কারণ, লজ্জার মাথা খেয়ে বসবে। তাদের মাঝে লাজ-শরমের নামগন্ধও থাকবে না। তাদের অন্তর বোবার মতো হয়ে যাবে। দিল মরে যাবে একেবারে। বোঝালেও বুঝতে চাইবে না। তবে না বুঝলে কী হবে, জবান থাকবে খুবই সচল। কথা বানানোয় একেকজন হবে উস্তাদ। এমনভাবে রঙচঙ মাখিয়ে কথা বলবে যে, মানুষ তাদের কথায় খুব সহজেই বিভ্রান্ত হয়ে যাবে। নিজেরা তো গোমরাহ হবেই, মানুষকেও গোমরাহ করে ছাড়বে।

আলেম-উলামা তথা মুজতাহিদ ইমামগণের তাকলিদ ছেড়ে দিয়ে যারা গায়রে মুকাল্লিদ হবে, যাদের থেকে স্বয়ং নবিজি পর্যন্ত আল্লাহর কাছে পানাহ চেয়েছেন, আমাদের মতো সাধারণ মুসলমানদের তাহলে কী করা উচিত?
.
আহাফি-২
কামিং সুন…

শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন
  • 33
    Shares