গরু উৎপাদনে অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছেন বাংলাদেশের কৃষক ও খামারিরা।

বিজয়বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত ১৯, জুলাই, ২০২১, সোমবার
<strong>গরু উৎপাদনে অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছেন বাংলাদেশের কৃষক ও খামারিরা।</strong>

বিজয় বাংলা অনলাইন | গরু উৎপাদনে অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছেন বাংলাদেশের কৃষক ও খামারিরা। মাত্র ৬ বছরেই গবাদিপশু প্রতিপালনে দেশকে করে তুলেছে স্বাবলম্বী। শতকরা ৯২ ভাগ মুসলমানের এই দেশ ঈদুল আজহার কোনবানির গরুর জন্য এক সময় ভারতের ওপর নির্ভরশীল ছিল। কিন্তু ভারতের মোদি সরকার ২০১৫ সালের পহেলা এপ্রিল হঠাৎ সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে গরু প্রবেশে কঠোর বিধিনিষেধ জারি করায় গরুর গোশতের সংকটে পড়ে বাংলাদেশ। কিন্তু ধীরে ধীরে দেশের কৃষকরা গ্রাম পর্যায়ে গরু প্রতিপালন, নদ-নদীর চরগুলোতে গরুর বাথান, ব্যবসায়ীরা গরুর ছোট-বড় খামার করে গরু-ছাগাল উৎপাদানে মনোনিবেশ করে। ৬ বছরের মধ্যেই গরু উৎপাদনে স্বাবলম্বী হয়ে উঠে ভারতকে উচিৎ জবাব দিয়েছেন বাংলাদেশের কৃষক আর খামারিরা। ভারতের গরু এখন আর বাংলাদেশের প্রয়োজন নেই। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে দেশে ৪১ কোটি ২২ লাখ খাবার যোগ্য প্রাণী রয়েছে। ঈদুল আজহার কোরবানির জন্য পশু প্রস্তুত রাখা ১ কোটি ১৯ লাখ পশু দেশের হাটবাজারগুলোতে উঠেছে।

গতকাল রাজধানীর কয়েকটি কোরবানির পশু কেনাবেচার হাট ঘুরে দেখা গেছে শুধু গরু আর গরু। ছোট, বড়, মাঝারি নানা আকৃতির গরু সবগুলোই দেশি। কয়েক বছর আগেও কোরবানির পশুর হাটে দেখা যেত বিক্রির জন্য আনা অর্ধেকই গরুই সারা রঙের বলদ। সাদা গরুগুলোই ছিল ভারতীয়। এবার রাজধানীর গাবতলী, বনশ্রী, শনিরআখড়া, সারুলিয়াসহ কয়েকটি হাট ঘুরে দেখা গেছে বিক্রি করতে আনা ছোট-বড় সব গরুই দেশি। এমনকি দেশের কৃষকরাই বিশাল বিশাল আকৃতির গরু বিক্রির জন্য হাটে উঠিয়েছেন। তারা দামও পাচ্ছেন।

বিজয় বাংলা /এ,এইচ/১৯/০৭/২০২১ইং

শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন