পরীক্ষা পদ্ধতিতে আসছে বড় ধরণের পরিবর্তন

বিজয়বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত ১৩, সেপ্টেম্বর, ২০২১, সোমবার
পরীক্ষা পদ্ধতিতে আসছে বড় ধরণের পরিবর্তন

ন্যাশনাল ডেস্কঃ বাংলাদেশে ২০২৩ সাল থেকে তৃতীয় শ্রেণী থেকে কোন বার্ষিক পরীক্ষা থাকবে না বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। সেই সঙ্গে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত মূল্যায়ন পদ্ধতিতে অনেক পরিবর্তন আনা হয়েছে।

নতুন শিক্ষাক্রমে বদলে যাবে বই, বইয়ের ধরন ও পরীক্ষা পদ্ধতি।

সোমবার দুপুরে বাংলাদেশের প্রাক-প্রাথমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত শিক্ষাক্রমের ঘোষণা করতে গিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দিপু মনি এসব তথ্য জানান।

নতুন শিক্ষাক্রমে চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণীতে কিছু বিষয়ের ওপর পড়াশোনার সময় মূল্যায়ন হবে, কিছু বিষয়ের ওপর হবে বার্ষিক মূল্যায়ন। মোট নম্বরের ৬০ শতাংশ নম্বরের মূল্যায়ন হবে শ্রেণিকক্ষে, বাকি ৪০ শতাংশ নম্বরের ম্যূলায়ন হবে বাষিক পরীক্ষায়।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এসএসসি পরীক্ষা হবে শুধু দশম শ্রেণীর পাঠ্যক্রমের ওপর। এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল নির্ধারিত হবে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীর বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল মিলিয়ে।

স্কুল খোলার প্রথম দিনটি যেরকম কেটেছে
স্কুল ইউনিফর্ম ও ফি আদায় নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী যা বললেন
নবম দশম শ্রেণীতে বিজ্ঞান, মানবিক ইত্যাদি বিভাগ থাকবে না। একজন শিক্ষার্থী কোন বিভাগ নিয়ে পড়বেন, সেটা ঠিক করবে একাদশ শ্রেণীতে গিয়ে।

শিক্ষা নিয়ে সরকারের নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন করার জন্য সামনের বছর থেকে পরীক্ষামূলকভাবে ছয় মাস প্রয়োগ করা হবে। এই সময় প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের ১০০টি করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাইলটিং শুরু হবে।

২০২৩ সাল থেকে ধাপে ধাপে শুরু হয়ে ২০২৫ সাল থেকে নতুন শিক্ষাক্রম পুরোপুরি বাস্তবায়ন হবে।

শিক্ষামন্ত্রী বলছেন, ”আগামী বছর থেকে প্রাথমিকের প্রথম শ্রেণি ও মাধ্যমিকের ষষ্ঠ শ্রেণিতে পাইলটিং শুরু হবে। ২০২৩ সাল থেকে প্রাথমিকের প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণি এবং মাধ্যমিকের ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে শুরু হবে নতুন শিক্ষাক্রম। ২০২৪ সালে তৃতীয়, চতুর্থ, অষ্টম ও নবম শ্রেণি, ২০২৫ সালে পঞ্চম ও দশম শ্রেণীতে নতুন শিক্ষাক্রম শুরু হবে। ২০২৫ সালের মধ্যে পুরো শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।”

সরকারের পরিকল্পনায় পুরো শিক্ষাক্রম শিক্ষার্থী কেন্দ্রিক, আনন্দময় এবং বিষয়বস্তুর চাপ কমানোর বিষয়ে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।

বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনার পর এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

দু’হাজার আরো সালে প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিকের শিক্ষাক্রম পরিমার্জন করা হয়েছিল। সাধারণত পাঁচ বছর পরপর শিক্ষাক্রম পরিমার্জন করা হয়।

২০২১ সাল থেকেই নতুন শিক্ষাক্রমের পাইলটিং শুরু হওয়ার কথা থাকলেও, করোনাভাইরাসের কারণে তা পিছিয়ে যায়।

বিজয়বাংলা/এনএম/১৩/৯/২১

শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন